Monday, May 2, 2016

আপনি কি জানের মেয়েদের মাসিক কেন হয়? না জেনে থাকলে জেনে নিন !

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।womens-genitals-1
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।

Sunday, April 24, 2016

জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য তালিকা

জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস দেয়ার ১৯ দিন পর তা আগামিকাল থেকে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। সোমবার রাত ১২টার পর থেকেই জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর হওয়ার জন্য পরিপত্র জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। রোববার সন্ধ্যা ৭টায় এ পরিপত্র জারি করা হয়। 
oil pump

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০ টাকা, অকটেনে ১০ টাকা, ডিজেলে ৩ টাকা ও কেরোসিনে ৩ টাকা কমানো হয়েছে।
এর ফলে প্রতি লিটার পেট্রোলের মূল্য দাঁড়ালো ৭৮.৮৩ টাকা, অকটেন ৮১.৬৩ টাকা, ডিজেল ৬০.০১ টাকা এবং ফার্নেস অয়েল ৩৯. ৬১ টাকা।
ফার্নেস তেলের দাম কমানোর পর গত ৪ এপ্রিল জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অন্য সব জ্বালানি তেলের দামও কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলো।

Friday, April 15, 2016

মোটা চাল মেশিনে হচ্ছে সরু, যাচ্ছে বাজারে!

পাবনায় মোটা ও নিম্নমানের চাল মেশিনে কেটে চিকন (সরু) করে বাজারজাত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বেশ কয়েকটি রাইস মিলে মোটা চাল ছেঁটে চিকন ও পলিশ (মসৃণ) করার পর পলিথিন-চটের বস্তায় ভরে বিক্রি করা হচ্ছে।
বিষয়টি জানার পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না বলেও অভিযোগ রয়েচে। ফলে সাধারণ ক্রেতারা একদিকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে নানা অসুখের শিকার হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সহজ যোগাযোগের কারণে ঈশ্বরদী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ
চাল মোকাম গড়ে উঠেছে। ছোট বড় প্রায় সাত শতাধিক ধান চাতালও রয়েছে। এ সব চাতালে প্রায় ২০ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
সূত্র জানায়, অটোরাইস মিলে ভালো ব্যবসা হওয়ায় অনেক মালিক মোটা চাল ছেঁটে চিকন করার প্রকল্প হাতে নেন। তাঁরা দীর্ঘদিন থেকে নিম্নমানের ইরি ধানের মোটা চাল ছেঁটে চিকন করে বাসমতি, কাটারিভোগসহ নামি-দামি চালের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাত করে আসছেন।
এ ব্যাপারে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা শাখার সাধারণ সম্পাদক জেবুন্নেচ্ছা ববিন বলেন, এ বিষয়ে প্রশাসন অবহিত থাকলেও তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
পাবনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো, মাঈন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তারাও শুনেছেন। তবে সুনির্দিষ্ট করে কেউ অভিযোগ জানায়নি। তাই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া বলেন, এ ধরনের চাল স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্ষতিকর।

Saturday, March 26, 2016

বাংলাদেশের প্রিন্স, জেনে নিন এ শীর্ষ ধনীর জীবন যাপন সম্পর্কে ( ভিডিও সহ )


১৯৯৮ সালে বিশ্বখ্যাত লন্ডনের সানডে টেলিগ্রাফের ১৭ মে সংখ্যায় ‘ম্যান উইথ দ্য গোল্ডেন গানস’ শিরোনামে হাইলাইটস হয়েছিলেন বাংলাদেশের এক ধনকুবের। টেলিগ্রাফের ওই সংখ্যাটিতে বাংলাদেশি ধনকুবেরকে নিয়ে লেখা হয়েছিল ব্যতিক্রমী এক প্রচ্ছদ কাহিনী। রিপোর্টে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে পশ্চিমা জগতে দারুণ আলোড়ন তোলেন। প্রচ্ছদ কাহিনীতে টেলিগ্রাফের বিশেষ প্রতিনিধি নাইজেল ফার্নডেল লিখেন, বিশ্বের প্রথম সারির এই অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চাত্য সমাজে ‘প্রিন্স অব বাংলাদেশ’ বলে খ্যাত। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তাঁর ও তাঁর বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি একাই পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগ করতে চান!
https://youtu.be/9cnDoTgTiIg 
তাঁকে বাংলাদেশের ‘জনশক্তি রপ্তানির জনক’ বলা হয়। রূপকথার মতোই তাঁর বর্ণিল জীবন ও বিস্ময়কর সব কর্মধারা।








কলম‬ : তিনি যে কলম দিয়ে স্বাক্ষর করেন সেটি এক কোটি ডলার দামের মন্ট বাঙ্ক কলম। ফ্রান্সে তৈরি ওই কলম মাত্র একটিই তৈরি করেছে নির্মাতা কোম্পানি। ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি এ কলমটিতে রয়েছে ৭৫০০টি হীরকখণ্ড। সারা বছরই কড়া প্রহরায় এ কলমটি রক্ষিত থাকে সুইস ব্যাঙ্কের ভল্টে। প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় ওই কলম নিয়ে যাওয়া হয় নির্দ্দিষ্ট স্থানে। আবার সেভাবে ফেরত নিয়ে আসা হয়।
‪

ঘড়ি‬ : তিনি যে ঘড়ি ব্যবহার করের সেটি রোলেক্স এর ৫০ লাখ ডলার দামের বিশেষ ঘড়ি। ওই বিশেষ ঘড়ি মাত্র একটিই তৈরি করেছে নির্মাতা কোম্পানি। এই মূল্যবান ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছিল ২৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে।
‪‎

আংটি‬ : তিনি কয়েকটি আংটি ব্যবহার করেন। তার মধ্যে ১৬ ক্যারেটের একটি রুবি। যার দাম ১০ লাখ ডলার। ৫০ হাজার ডলার দামের একটি চুনি। এছাড়া ৫০ হাজার ডলার দামের একটি হীরা ও এক লাখ ডলার দামের একটি পালা (এমেরাল্ড)।
‪

স্যুট‬ : তাঁর পরনের স্যুটগুলো স্বর্ণসুতাখচিত। তাঁকে কখনো এক স্যুট পরিহিত অবস্থায় দুই বার দেখা যায় না। প্রতিটি স্যুটের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার পাউন্ড। যা শুধু তাঁর জন্য তৈরি করা।

পোশাক‬ : পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডিজাইনার বলে খ্যাত প্রিওনি বেলভেস্ট এবং ইটালির আবলা এবং ফ্যান্সিসকো স্মলটো ও খ্রিস্টিয়ান ডিয়রের বিশেষ ব্র্যান্ডের অতি মূল্যবান পোশাক-আশাক দিয়েই তাঁর সারি সারি ওয়্যারড্রব ভর্তি। এসবের জন্য তাকে বলা হয় The Best Dressed Man of the World.

জুতা‬ : তিনি হীরকখচিত যে জুতা পরেন তার প্রতি জোড়ার মূল্য লক্ষ্য ডলার। তাঁর সংগ্রহে এমনি রত্নখচিত হাজারো জুতো রয়েছে।
‪‎

গোসল‬ : তিনি প্রতিদিন নির্জলা গোলাপ পানি দিয়ে গোসল করেন।
‪‎

পানি‬ : তিনি সবসময় ফ্রান্সের ইভিয়ান ব্র্যান্ডের পানি পান করেন।
‪

বাসা‬ : তাঁর বাসার স্টাইল-আয়োজন কর্মকাণ্ড সবকিছুই ফাইভ স্টার মানের। গুলশানে অবস্থিত তাঁর প্রাসাদের সাজসজ্জা চোখ ধাঁধানো। লিভিং রুমসহ ভবনের ছাদ অবধি শোভা পায় দ্যুতিময় অসংখ্য ঝালর। মেঝে মূল্যবান ক্রিস্টাল পাথরে ছাওয়া। ফ্লোরে ঝকঝকে কার্পেট। এ বাসাতে প্রায় প্রতিদিনই পার্টি থাকে। সেখানে সবসময় তার দেশি বেদেশি হাইপ্রোফাইল মেহমানরা উপস্থিত থাকেন। পার্টিতে খাবার পরিবেশনের জন্য রয়েছে প্রশিক্ষিত কয়েক ডজন সেফ। এরা সবাই রান্না-বান্না ও পরিবেশনার উপর উচ্চ ডিগ্রিধারী।
‪‎

দেহরক্ষী‬ : চারজন নারী দেহরক্ষীসহ মোট ৪০ জন।

 জন্মদিন : ১৯৪৫ সালের দিকেই সম্ভবত, তিনি পুরো এটিএন বাংলা কয়েক ঘণ্টার জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন শেরাটনে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবার জন্য।

অন্যান্য : তার ব্যাক্তিগত জেট প্লেনটি ধার দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বব ডোলের যাতায়াতের জন্য। কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট তাকে নিয়মিত ফোন করে পরামর্শ নেয়। ক্ষমতায় থাকার সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলতসিন তো নিয়মিত খোজ নিত তার।
তার নিজের একান্ত চেষ্টায় প্রথম বাংলাদেশী জনশক্তির জন্য ইউরোপীয় স্বর্ণ-দ্বার খুলে যায়। এমনকি বাংলাদেশের ডিপ্লোমা নার্সিং কাউন্সিলের সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে তারই লবিং এর ফলে। ফলে এদেশের নার্সরা ইচ্ছে করলে সহজেই বিদেশে গিয়ে চাকুরী করতে পারে এখন।

*** তিনি ‘ড. মুসা বিন শমসের’। তাঁকে ‘প্রিন্স মুসা’ নামে ডাকা হয়। ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান। আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসা, তেল বাণিজ্য ও কেনাবেচার মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছেন তিনি।

Monday, March 14, 2016

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট


Screenshot_70

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। আজ সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম শাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, টেলিকম-সচিব, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক এবং মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেল, টেলিটককে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ একপ্রকার অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে,বাকী আছে আনুষ্ঠানিকতা,উপযুক্ত জবাব না পেলে এই সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকবে এবং হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে আর নতুন কোন রুল জারি করবে না গত ৯ মার্চ হাইকোর্টে এ-সংক্রান্ত রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবীর পল্লব। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মুকতাদির রহমান গত বছরের ২১ অক্টোবর বায়োমেট্রিক পদ্ধতির পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। পরে ১৬ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Friday, March 4, 2016

আইফোন তৈরির সত্যিকার খরচ জানলে অবাক হবেন?

মানসম্পন্ন ও উচ্চ মূল্যের স্মার্টফোন হিসেবে পরিচিত অ্যাপলের আইফোন। কে না আগ্রহী আইফোন ব্যবহারে। তাই অনেককে দেখা যায়, কিস্তিতে কিংবা ধারকর্জ করে উচ্চ মূল্যে আইফোন কিনতে।

কিন্তু একটা আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে কত খরচ পড়ে? আপনি শুনলে হয়তো অবাক হবেন যে, আপনি যে দামে আইফোন ৬এস প্লাস কিনেছেন, তার চেয়ে এক তৃতীয়াংশেরও কম খরচে তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস টেকনোলজি সম্প্রতি আইফোন তৈরির খরচের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। সেসব তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে প্রকৃত খরচ আসলে কত (ভারতীয় মুদ্রার হিসাবে)।

ভারতে অ্যাপলের একটি আইফোন ৬এস প্লাস (১৬ জিবি) কিনতে ব্যবহারকারীকে খরচ করতে হয় ৫১ হাজার রুপি। কিন্তু আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে অ্যাপলের মূল খরচ মাত্র ১৭ হাজার রুপি। অর্থাৎ মুনাফার পরিমাণ ৩০০ শতাংশ।

আসলে আইফোন ৬এস প্লাস তৈরির প্রকৃত খরচ আরো কম, প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ রুপির মতো। এর সঙ্গে ম্যানুফ্যাকচারিং খরচ ধরলে তা দাড়ায় ১৭ হাজার রুপিতে।



শুধু তাই নয়, মেমোরি ভেদে আইফোনের দাম অনেক বেশি উচ্চ মূল্যের করে থাকে অ্যাপেল। যেমন ১৬ জিবি এবং ৬৪ জিবি আইফোন ৬এস প্লাসের দামের মধ্যে ব্যবধান অনেক বেশি। কিন্তু ১৬ জিবি মেমোরি থেকে ৬৪ জিবি মেমোরির আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে অ্যাপলের মাত্র ১২০০ রুপি বেশি খরচ হয়। অথচ ব্যবহারকারীকে ৬৪ জিবি কিনতে খরচ করতে হয় ৭০০০ রুপি।

আরঅ্যান্ডডি, শিপিং, লাইসেন্সিং, অপারেটিং সিস্টেম, মার্কেটিং এসব খরচ যদিও অন্তভূক্ত করা হয়নি, কিন্তু এসব খরচ অর্ন্তভূক্ত করা হলেও দেখা গেছে, প্রতিটি আইফোনে অ্যাপলের মুনাফা থাকে অনেক।

অ্যাপল বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ড। তাই আইফোনের দামে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে ব্যবহারকারীদের কাছে হয়তো ব্র্যান্ড ভ্যালু!

Friday, February 26, 2016

যে ৭ টি কাজ করলে পড়ালেখায় মনোযোগ অনেক বেড়ে যাবে!

Screenshot_14পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না। এটা সবারই একটা সাধারণ সমস্যা। কিন্তু ইচ্ছা না করলেও পরীক্ষা তো দিতে হবেই। তা থেকে রেহাই কারও নেই। আপনি যদি এমন কোনো রোগী হয়ে থাকেন যে আপনার পড়তে বসতে একেবারেই ইচ্ছা করছে না। এসময় পড়ায় মন বসাতে যা যা করবেন।
১. লক্ষ্য ঠিক করুন :
আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন।


২. ক্ষুধা নিবারণ করুন :
এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে।


৩. সময় সচেতন হোন :
নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন।


৪. গান শুনুন :
গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে।


৫. ঘুমিয়ে নিন :
অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন।


৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান :
মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।


৭. মেডিটেশন করুন :
মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ মনে থাকে।