Saturday, March 26, 2016

বাংলাদেশের প্রিন্স, জেনে নিন এ শীর্ষ ধনীর জীবন যাপন সম্পর্কে ( ভিডিও সহ )


১৯৯৮ সালে বিশ্বখ্যাত লন্ডনের সানডে টেলিগ্রাফের ১৭ মে সংখ্যায় ‘ম্যান উইথ দ্য গোল্ডেন গানস’ শিরোনামে হাইলাইটস হয়েছিলেন বাংলাদেশের এক ধনকুবের। টেলিগ্রাফের ওই সংখ্যাটিতে বাংলাদেশি ধনকুবেরকে নিয়ে লেখা হয়েছিল ব্যতিক্রমী এক প্রচ্ছদ কাহিনী। রিপোর্টে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে পশ্চিমা জগতে দারুণ আলোড়ন তোলেন। প্রচ্ছদ কাহিনীতে টেলিগ্রাফের বিশেষ প্রতিনিধি নাইজেল ফার্নডেল লিখেন, বিশ্বের প্রথম সারির এই অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চাত্য সমাজে ‘প্রিন্স অব বাংলাদেশ’ বলে খ্যাত। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তাঁর ও তাঁর বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি একাই পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগ করতে চান!
https://youtu.be/9cnDoTgTiIg 
তাঁকে বাংলাদেশের ‘জনশক্তি রপ্তানির জনক’ বলা হয়। রূপকথার মতোই তাঁর বর্ণিল জীবন ও বিস্ময়কর সব কর্মধারা।








কলম‬ : তিনি যে কলম দিয়ে স্বাক্ষর করেন সেটি এক কোটি ডলার দামের মন্ট বাঙ্ক কলম। ফ্রান্সে তৈরি ওই কলম মাত্র একটিই তৈরি করেছে নির্মাতা কোম্পানি। ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি এ কলমটিতে রয়েছে ৭৫০০টি হীরকখণ্ড। সারা বছরই কড়া প্রহরায় এ কলমটি রক্ষিত থাকে সুইস ব্যাঙ্কের ভল্টে। প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় ওই কলম নিয়ে যাওয়া হয় নির্দ্দিষ্ট স্থানে। আবার সেভাবে ফেরত নিয়ে আসা হয়।
‪

ঘড়ি‬ : তিনি যে ঘড়ি ব্যবহার করের সেটি রোলেক্স এর ৫০ লাখ ডলার দামের বিশেষ ঘড়ি। ওই বিশেষ ঘড়ি মাত্র একটিই তৈরি করেছে নির্মাতা কোম্পানি। এই মূল্যবান ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছিল ২৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে।
‪‎

আংটি‬ : তিনি কয়েকটি আংটি ব্যবহার করেন। তার মধ্যে ১৬ ক্যারেটের একটি রুবি। যার দাম ১০ লাখ ডলার। ৫০ হাজার ডলার দামের একটি চুনি। এছাড়া ৫০ হাজার ডলার দামের একটি হীরা ও এক লাখ ডলার দামের একটি পালা (এমেরাল্ড)।
‪

স্যুট‬ : তাঁর পরনের স্যুটগুলো স্বর্ণসুতাখচিত। তাঁকে কখনো এক স্যুট পরিহিত অবস্থায় দুই বার দেখা যায় না। প্রতিটি স্যুটের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার পাউন্ড। যা শুধু তাঁর জন্য তৈরি করা।

পোশাক‬ : পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডিজাইনার বলে খ্যাত প্রিওনি বেলভেস্ট এবং ইটালির আবলা এবং ফ্যান্সিসকো স্মলটো ও খ্রিস্টিয়ান ডিয়রের বিশেষ ব্র্যান্ডের অতি মূল্যবান পোশাক-আশাক দিয়েই তাঁর সারি সারি ওয়্যারড্রব ভর্তি। এসবের জন্য তাকে বলা হয় The Best Dressed Man of the World.

জুতা‬ : তিনি হীরকখচিত যে জুতা পরেন তার প্রতি জোড়ার মূল্য লক্ষ্য ডলার। তাঁর সংগ্রহে এমনি রত্নখচিত হাজারো জুতো রয়েছে।
‪‎

গোসল‬ : তিনি প্রতিদিন নির্জলা গোলাপ পানি দিয়ে গোসল করেন।
‪‎

পানি‬ : তিনি সবসময় ফ্রান্সের ইভিয়ান ব্র্যান্ডের পানি পান করেন।
‪

বাসা‬ : তাঁর বাসার স্টাইল-আয়োজন কর্মকাণ্ড সবকিছুই ফাইভ স্টার মানের। গুলশানে অবস্থিত তাঁর প্রাসাদের সাজসজ্জা চোখ ধাঁধানো। লিভিং রুমসহ ভবনের ছাদ অবধি শোভা পায় দ্যুতিময় অসংখ্য ঝালর। মেঝে মূল্যবান ক্রিস্টাল পাথরে ছাওয়া। ফ্লোরে ঝকঝকে কার্পেট। এ বাসাতে প্রায় প্রতিদিনই পার্টি থাকে। সেখানে সবসময় তার দেশি বেদেশি হাইপ্রোফাইল মেহমানরা উপস্থিত থাকেন। পার্টিতে খাবার পরিবেশনের জন্য রয়েছে প্রশিক্ষিত কয়েক ডজন সেফ। এরা সবাই রান্না-বান্না ও পরিবেশনার উপর উচ্চ ডিগ্রিধারী।
‪‎

দেহরক্ষী‬ : চারজন নারী দেহরক্ষীসহ মোট ৪০ জন।

 জন্মদিন : ১৯৪৫ সালের দিকেই সম্ভবত, তিনি পুরো এটিএন বাংলা কয়েক ঘণ্টার জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন শেরাটনে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবার জন্য।

অন্যান্য : তার ব্যাক্তিগত জেট প্লেনটি ধার দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বব ডোলের যাতায়াতের জন্য। কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট তাকে নিয়মিত ফোন করে পরামর্শ নেয়। ক্ষমতায় থাকার সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলতসিন তো নিয়মিত খোজ নিত তার।
তার নিজের একান্ত চেষ্টায় প্রথম বাংলাদেশী জনশক্তির জন্য ইউরোপীয় স্বর্ণ-দ্বার খুলে যায়। এমনকি বাংলাদেশের ডিপ্লোমা নার্সিং কাউন্সিলের সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে তারই লবিং এর ফলে। ফলে এদেশের নার্সরা ইচ্ছে করলে সহজেই বিদেশে গিয়ে চাকুরী করতে পারে এখন।

*** তিনি ‘ড. মুসা বিন শমসের’। তাঁকে ‘প্রিন্স মুসা’ নামে ডাকা হয়। ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান। আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসা, তেল বাণিজ্য ও কেনাবেচার মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছেন তিনি।

Monday, March 14, 2016

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট


Screenshot_70

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। আজ সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম শাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, টেলিকম-সচিব, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক এবং মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেল, টেলিটককে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ একপ্রকার অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে,বাকী আছে আনুষ্ঠানিকতা,উপযুক্ত জবাব না পেলে এই সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকবে এবং হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে আর নতুন কোন রুল জারি করবে না গত ৯ মার্চ হাইকোর্টে এ-সংক্রান্ত রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবীর পল্লব। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মুকতাদির রহমান গত বছরের ২১ অক্টোবর বায়োমেট্রিক পদ্ধতির পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। পরে ১৬ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Friday, March 4, 2016

আইফোন তৈরির সত্যিকার খরচ জানলে অবাক হবেন?

মানসম্পন্ন ও উচ্চ মূল্যের স্মার্টফোন হিসেবে পরিচিত অ্যাপলের আইফোন। কে না আগ্রহী আইফোন ব্যবহারে। তাই অনেককে দেখা যায়, কিস্তিতে কিংবা ধারকর্জ করে উচ্চ মূল্যে আইফোন কিনতে।

কিন্তু একটা আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে কত খরচ পড়ে? আপনি শুনলে হয়তো অবাক হবেন যে, আপনি যে দামে আইফোন ৬এস প্লাস কিনেছেন, তার চেয়ে এক তৃতীয়াংশেরও কম খরচে তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস টেকনোলজি সম্প্রতি আইফোন তৈরির খরচের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। সেসব তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে প্রকৃত খরচ আসলে কত (ভারতীয় মুদ্রার হিসাবে)।

ভারতে অ্যাপলের একটি আইফোন ৬এস প্লাস (১৬ জিবি) কিনতে ব্যবহারকারীকে খরচ করতে হয় ৫১ হাজার রুপি। কিন্তু আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে অ্যাপলের মূল খরচ মাত্র ১৭ হাজার রুপি। অর্থাৎ মুনাফার পরিমাণ ৩০০ শতাংশ।

আসলে আইফোন ৬এস প্লাস তৈরির প্রকৃত খরচ আরো কম, প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ রুপির মতো। এর সঙ্গে ম্যানুফ্যাকচারিং খরচ ধরলে তা দাড়ায় ১৭ হাজার রুপিতে।



শুধু তাই নয়, মেমোরি ভেদে আইফোনের দাম অনেক বেশি উচ্চ মূল্যের করে থাকে অ্যাপেল। যেমন ১৬ জিবি এবং ৬৪ জিবি আইফোন ৬এস প্লাসের দামের মধ্যে ব্যবধান অনেক বেশি। কিন্তু ১৬ জিবি মেমোরি থেকে ৬৪ জিবি মেমোরির আইফোন ৬এস প্লাস তৈরিতে অ্যাপলের মাত্র ১২০০ রুপি বেশি খরচ হয়। অথচ ব্যবহারকারীকে ৬৪ জিবি কিনতে খরচ করতে হয় ৭০০০ রুপি।

আরঅ্যান্ডডি, শিপিং, লাইসেন্সিং, অপারেটিং সিস্টেম, মার্কেটিং এসব খরচ যদিও অন্তভূক্ত করা হয়নি, কিন্তু এসব খরচ অর্ন্তভূক্ত করা হলেও দেখা গেছে, প্রতিটি আইফোনে অ্যাপলের মুনাফা থাকে অনেক।

অ্যাপল বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ড। তাই আইফোনের দামে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে ব্যবহারকারীদের কাছে হয়তো ব্র্যান্ড ভ্যালু!