Friday, February 26, 2016

যে ৭ টি কাজ করলে পড়ালেখায় মনোযোগ অনেক বেড়ে যাবে!

Screenshot_14পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না। এটা সবারই একটা সাধারণ সমস্যা। কিন্তু ইচ্ছা না করলেও পরীক্ষা তো দিতে হবেই। তা থেকে রেহাই কারও নেই। আপনি যদি এমন কোনো রোগী হয়ে থাকেন যে আপনার পড়তে বসতে একেবারেই ইচ্ছা করছে না। এসময় পড়ায় মন বসাতে যা যা করবেন।
১. লক্ষ্য ঠিক করুন :
আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন।


২. ক্ষুধা নিবারণ করুন :
এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে।


৩. সময় সচেতন হোন :
নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন।


৪. গান শুনুন :
গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে।


৫. ঘুমিয়ে নিন :
অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন।


৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান :
মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।


৭. মেডিটেশন করুন :
মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ মনে থাকে।

বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি

Screenshot_3সফল মানুষেরা তাদের কর্মের প্রতিদান কখনোই খোঁজেন না। এখানেই হয়তো তাদের সাফল্যের মূলমন্ত্র নিহিত। ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন’ মূলত যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি উদ্যোগ। বিশ্বজুড়ে বাংলার কৃতী সন্তানেরা নিজেদের দৃপ্ত পদচ্ছাপ রেখে এগিয়ে চলেছে দিগ্বিজয়ীর মতো। এই পদচারণা পরবর্তী প্রজন্মকে এগিয়ে দেবে হয়তো বহুদূর, আর সেই সঙ্গে বাংলাদেশের নামও উজ্জ্বল করবে বিশ্বের মানচিত্রে। এমনই সাফল্যমণ্ডিত মানুষদের নিয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত।
১০০ জন সবচেয়ে প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকা তারা প্রথম প্রকাশ করে ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে। এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে তারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের কঠোর পরিশ্রম ও উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং উদযাপন করে। এই তালিকায় তারা স্থান দেয় সেইসব ব্যক্তি ও উদ্যোক্তাকে যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রেখেছেন।
যে ব্যক্তি ও উদ্যোক্তারা শুধু নিজ প্রয়োজনে নয়, বরং দেশের স্বার্থে নিজেদের কর্মজীবন পরিচালনা করেন। তাদেরকেই এই তালিকায় ঠাঁই দেওয়া হয়। কর্মের মধ্য দিয়ে তারা যেমন নিজেদের উন্নয়ন সাধন করেছেন, তেমনি দেশকেও তুলে ধরেছেন বিশ্ব দরবারে গৌরবের সঙ্গে। নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন এমন ব্যক্তিত্বও উপস্থিত আছেন এই তালিকায়।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, কেন এই তালিকা তৈরি করা। ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা তৈরিকারী কমিউনিটির উত্তর একটাই—অনুপ্রেরণা।
তারা অনুপ্রেরণায় বিশ্বাসী এবং তাদের মতে, আজকের এই উদ্যোগী মানুষগুলোর গল্প থেকেই তৈরি হবে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম, প্রবীণদের সফল পদচ্ছাপ ধরেই এগিয়ে যাবে নবীনদের উদ্যোগী ধ্যান-ধারণা।
মূল উদ্দেশ্য হলো— বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কাছে একটি সুন্দর আদর্শ তুলে ধরা, যা অনুসরণ করে তারা এগিয়ে যেতে পারে। ২০১৬ সালে পঞ্চমবারের মতো করা হয়েছে এই তালিকা।
প্রতিবারের মতো এবারও দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সফল বাংলাদেশিদেরকেই বেছে নেওয়া হয়েছে তালিকার জন্য। নিচে এমনই কিছু ব্যতিক্রমী মানুষ যারা সাফল্যের পিছনে ছোটেননি, বরং সাফল্য যাদের পিছনে ছুটেছে। তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হলো।

১) মুহাম্মদ ইউনূস
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। এছাড়াও অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন। মুহাম্মদ ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যে উন্নত বিশ্ব অর্থাত্ যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশ সেই উন্নয়নের মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়। ড. ইউনূস ২০১৪ সালে ইউনূস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। এখান থেকেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী করে তুলছেন।

২) জাওয়াদ করিম
ইউটিউবের নাম শোনেননি, এমন কথা আজ অবান্তর। দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা ভাত-ডালের মতোই। জাওয়াদ করিম জনপ্রিয় ভিডিও ভাগাভাগি ওয়েবসাইট ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তার জন্ম তত্কালীন পূর্ব জার্মানিতে। পে-পালে চাকরি করার সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় চ্যাড হার্লি ও স্টিভ শ্যানের। এই তিনজন পরে একটি ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট চালু করেন। গুগল যখন ওই ওয়েবসাইটটি কিনে নেয় তখন জাওয়াদ করিমকে ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ১,৩৭,৩৩৪টি শেয়ার দেওয়া হয়। করিম পরবর্তী সময়ে এই টাকা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজনেস আইডিয়া শুরু করতে ও এগিয়ে নিতে ব্যবহার করছেন। অনেক বাঙালিই হয়তো জানেন না, একজন বাংলাদেশি ইউটিউবের জন্মের সঙ্গে ছিলেন।

৩) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি একজন বাংলাদেশি সমাজকর্মী এবং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। সামাজিক উন্নয়নে তার অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার, জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থার মাহবুবুল হক পুরস্কার ও গেটস ফাউন্ডেশনের বিশ্ব স্বাস্থ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। দারিদ্র্য বিমোচন এবং দরিদ্রের ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইটহুডে ভূষিত করেছে।

৪) সালমান খান
সালমান আমিন খান ‘খান একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা। খান একাডেমি একটি উন্মুক্ত অনলাইনভিত্তিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। নিজ বাসার ছোট অফিস থেকে যাত্রা শুরু করে, বিস্তৃত ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়সমূহ, বিশেষত গণিত ও বিজ্ঞানের উপর ৬,৫০০-এর অধিক ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি। ২০১২ সালে মার্কিন পত্রিকা টাইমের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির বার্ষিক তালিকায় তার নাম ছিল। ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত, ইউটিউবে খান একাডেমির চ্যানেলটি ২,৪১৫,৪০৬-এর অধিক গ্রাহককে আকৃষ্ট করেছে এবং ভিডিওগুলো সব মিলিয়ে ৬৯৬ মিলিয়নের অধিক বার দেখা হয়েছে।

৫) করভি রাখশান্দ
জনপ্রিয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘জাগো ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা করভি। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই বনে গেছেন এত বৃহৎ একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা। ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে জাগো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ২০০৭ সালে প্রথম ১৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে রায়ের বাজারে বিনামূল্যে শিক্ষাদান করার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষাদান ছাড়াও আরও অনেক ধরনের সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তিনি।

৬) সারা হোসেন
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী সারা হোসেন। মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে তিনি কাজ করে চলেছেন বহু দিন ধরে। জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার বস্তিবাসীদের আশ্রয় নিয়েও কাজ করছেন তিনি। এছাড়া নারী নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করার ফলে হয়রানির শিকার সাংবাদিকদের পক্ষেও তিনি সোচ্চার রয়েছেন সবসময়। বাংলাদেশের একজন আইনজীবী ও সুনাগরিক হিসেবে এই কাজগুলোকে নিজের কর্তব্য মনে করেন তিনি।

৭) সাকিব আল হাসান
২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক তার। সেই থেকে শুরু। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তিনি। তার খেলার মান ও ধারাবাহিকতা তাকে নিয়ে গেছে এক নতুন উচ্চতায়, হয়েছেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড় ‘দ্য ওয়ান ম্যান আর্মি’। সাকিব ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট, ওডিআই ও টি-২০ প্রত্যেক ক্রিকেট সংস্করণে এক নম্বর অল-রাউন্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ৪,০০০ রান করার গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং পৃথিবীর ২৮তম খেলোয়াড়, যিনি ২০১১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক টেস্ট ম্যাচের এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন।

৮) ওমর ইশরাক
বিশ্বের চার নম্বর চিকিত্সাযন্ত্র নির্মাতা কোম্পানি মেডট্রনিকের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ড. ওমর ইশরাক। জিই হেলথ কেয়ারের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সিইও এখন আছেন মেডট্রনিকে। মেডট্রনিক তখন লোকসান গুনছিল। পড়ে গিয়েছিল এর শেয়ার। ২০১১ সালে কোম্পানিটি নিয়ে আসে ড. ওমর ইশরাককে। ইশরাক তখন মেডট্রনিকের ধসে যাওয়ার মূল কারণগুলো খুঁজে বের করেন। এরমধ্যে একটি ছিল ‘ইনফুজ’ নামের চিকিত্সাযন্ত্র। এই যন্ত্র সুবিধার চেয়ে অসুবিধা করছিল বেশি। এর প্রতিকার খুঁজতে থাকলেন আর ঝুঁকলেন বিশ্ববাজারের দিকেও। সবমিলিয়ে ঝড়টা ভালোভাবেই সামলে নিলেন তিনি। এ বছর লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের তালিকায় বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশির মধ্যে উঠে এসেছে তার নাম।

৯) সুমাইয়া কাজী
সুমাইয়া কাজী জন্মসূত্রে বাংলাদেশি একজন মার্কিন নাগরিক এবং বিখ্যাত নারী উদ্যোক্তা। তার পৈতৃক নিবাস ফেনী শহরে। তিনি লেখাপড়া শেষ করে সান মাইক্রোসিস্টেমস নামক একটি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়েবনির্ভর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন প্রফেশনালদের জন্য। তিনি সংবাদসংস্থা রয়টার্স এবং ক্লাউট কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ৫০ উদ্যোক্তার তালিকায় ১৬ নম্বরে অবস্থান করছেন। সিলিকন ভ্যালি বিজনেস জার্নাল তাকে ‘ওমেন অব ইনফ্লুয়েন্স’ উপাধি দিয়েছে। এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস উইক ম্যাগাজিন ও কালার লাইট ম্যাগাজিন থেকে ‘সেরা তরুণ উদ্যোক্তা’সহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার অর্জন করেছেন। পেয়েছেন সিএনএনের ‘ইয়ং পারসন হু রকস’ এবং কালার লাইট ম্যাগাজিনের সেরা তরুণ উদ্যোক্তার পুরস্কার।

১০) নিশাত মজুমদার
‘হিমালয় পার হওয়া’ বলতে সবাই বোঝায় দুঃসাধ্য ব্যাপার। সেই দুঃসাধ্য কাজটিই করে দেখিয়েছেন নিশাত মজুমদার। তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। ঢাকা ওয়াসায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত তিনি। পেশায় একজন অ্যাকাউনটেন্ট হলেও নিজের নেশাকে দমিয়ে রাখতে পারেননি। সারা বিশ্বের নারীদের সামনে তিনি একজন বড় মাপের আদর্শ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। হিমালয় জয় করার আগে বহুবার তিনি পর্বতারোহণ করেছেন প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে। তাই বলা যায়, এমন মানুষই তো সবার জন্য আদর্শ হবেন!
সূত্র: ইত্তেফাক

ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে এই ১০ টি কাজ করতেই হবে,যা অনেকেই জানেনা।। প্রত্তেক মুসলমানদের জানতে হবে। দেখুন।।

Screenshot_3বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। যারা পরকীয়া করে, লিভ টুগেদার করে, তারা এ রাতের মর্ম বুঝবে না। যারা বেশ্যা বা বহুগামিতা তাদের কাছে এ রাত বাতুলতা মাত্র। আমরা এ পর্বে বাসর রাতে অবশ্য পালনীয় কিছু টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব।
০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে।
০২. উভয়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন।
০৩. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূল্যবান যায়গা মক্কা মদীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা।
০৪. ছোট খাট ভুলের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা।
০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অপমান না করা।
০৬. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা।
০৭. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা।
০৮. ভবিষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল।
০৯. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার করা। চাকুরি না করলে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলা।

১০. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা ।
ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়। বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা এবং তা যথারীতি আদায় করার জন্য ইসলামে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান করা ফরজ।
কোরআন ও হাদীসের আলোকে মোহরানা :
মোহরানা সম্পর্কে কোরআনের বানী :
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ (সূরা নিসা-২৪)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘অতঃপর নারীদের অভিভাবকের অনুমুতি নিয়ে তাদের বিয়ে কর এবং তাদের মোহর যথাযথভাবে আদায় করে দাও।’ (সূরা নিসা-২৫)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“স্ত্রীদের প্রাপ্য মোহরানা আদায় করে দাও, খূশী হয়ে ও তাদের প্রাপ্য অধিকার মনে করে।’ (সূরা নিসা-৪)

অত্র আয়াত সমুহ প্রমাণ করে যে, মোহরানা ফরজ বা আদায় করা অপরিহার্য।
মোহরানা সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) এর বানী :
উক্ববা ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “অবশ্যই পূরণীয় শর্ত হচ্ছে, যার বিনিময়ে তোমরা স্ত্রীর যৌনাঙ্গ নিজেদের জন্য হালাল মনে কর।’ (বুখারী,মুসলিম)
মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন মেয়েকে মোহরানা দেয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করার তার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমেদ)।
সুতরাং মোহরানা স্ত্রীর এমন একটি প্রাপ্য যা তিনি স্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে পাওনা হন, তবে স্ত্রী (স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফূর্তভাবে) সময় দিলে বাকি রাখা যাবে। কিন্তু মোহরানার অর্থ আবশ্যিকভাবে পরিশোধ করতে হবে। বিবাহিত স্ত্রীকে অসহায় মনে করে ছলে-বলে-কৌশলে বা অজ্ঞতার সুযোগে মাফ করিয়ে নিলে মাফ না হয়ে তা হবে জুলুম-প্রতারণা। এ জুলুম প্রতিরোধকল্পে মহান আল্লাহপাক ঘোষণা করেন – ‘যদি স্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে মোহরের কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়, তবে তোমরা তা হৃষ্টচিত্তে গ্রহণ করতে পার।’ (সূরা নিসা, আয়াত-৪)।
মোহরানা এককালীন আদায় করতে অক্ষম হলে, উত্তম হল কিছু অংশ নগদ আদায় করে বাকি অংশ পরে আদায় করা, তা ধীরে ধীরে কিস্তিতে পরিশোধ করা। তবে মোহরানা নির্ধারণ করতে হবে স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী যাতে তিনি সহজেই তা পরিশোধ করতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সমাজের দু:খজনক ঘটনা হলো-বিশাল আকারের মোহরানা বাধা হয় নামে মাত্র অথচ বহুলাংশে তা পরিশোধ করতে দেখা যায় না।
আমাদের সমাজে কি দেখতে পাচ্ছি ?
আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও বিয়েতে অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হতো। স্ত্রীকে প্রদান করতো কিনা আমার জানা নেই। তবে বর্তমানে বিয়েতে বেশী পরিমানে মোহরানা ধার্য করা হচ্ছে তার অন্যতম কারন হচ্ছে –
বিবাহ বিচ্ছেদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই মোহরানা বেশী ধার্য করা হয় যাতে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিতে ভয় পায়।
*** বর্তমানে ধনী পরিবারের বিয়েতে লোক দেখানোর জন্য কোটি টাকা মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** মধ্যেবিত্ত পরিবারের বিয়েতেও ১০ লক্ষ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** নিম্মবিত্ত পরিবারের বিয়েতে ২ লাখ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** বিয়েতে স্ত্রীকে দেয়া স্বর্ন ক্রয়ের টাকাটা অর্ধেক অথবা পুরাটাই মোহরানা থেকে কর্তন করা হয়। আর বাকীটা পরে প্রদান করার প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকে।

স্ত্রীকে মোহরানা আদায় করা ফরজ। আর এই ফরজ কাজটি না করে কিভাবে সংসার জীবন শুরু করবে? তাই বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতেই এই বিষয়টি ফয়সালা করা হয়। বউকে পরবর্তীতে প্রদান করার ঘোষনা দিয়েই সংসার জীবন শুরু করতে হয়। অচত আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ তারপর মোহরানা আদায় না করে বছরের পর বছর স্ত্রীর সাথে বসবাস করে। স্ত্রীও সংসারের সুখ-শান্তি নষ্ট হবার ভয়ে স্বামীর কাছে মোহরানা অর্থ চাইতে সংকোচ করে। অনেকে স্বামী মোহরানার অর্থ আদায় না করেই কোন এক সময় না ফেরার দেশে চলে যায়। অনেকে সংসারে অশান্তি দেখা দিলে তালাকের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘঁটান আর তখনই স্বামীকে আদালতের রায়ের মাধ্যমে মোহরানার অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।
আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশকে অমান্য করে আজ আমরা বিয়েতে মোহরানা কে কত বেশী দিতে পারি, কে কত নিতে পারি সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি। যার ফলে সংসারে অশান্তি,ভূল-বোঝাবুঝি, পরিশেষে বিচ্ছেদের মত ঘঁটনা ঘটে।
তাই সবাইকে বলছি, বিয়েতে সমতা রক্ষা করুন। কম মোহরানা ধার্য করুন। আর মোহরানা আদায় করেই সংসার জীবন শরুন। মনে রাখবেন, পরবর্তীতে প্রদান করার মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে সংসার শুরু করলেও যে কোন মুহুত্বে আপনার মৃত্যু হতে পারে। তখন আপনার স্ত্রী কার কাছে মোহরানা চাইবে? যদি মোহরানা আদায় করার মত কিছু না থাকে? স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে আপনি কি জান্নাতে যেতে পারবেন?
তাই কেবল সামাজিক স্টাটাস রক্ষার জন্য মোটা অংকের মোহরানা নয়; বরং সামর্থ্যরে মধ্যে মোহরানা বেঁধে নির্দিষ্ট সময়ে বাসর হওয়ার আগেই তা পরিশোধ করে দেয়া উচিত।
কাহিনীঃ জাফর তানিয়াকে ১৬ লাখ টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে করেছে। বিয়েতে জাফর তানিয়াকে দশ ভরি স্বর্ণ উপহার দেয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে স্বর্নের মূল্য থেকে তিন লাখ টাকা উসুল দেখিয়ে বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে বাসর রাতে জাফরের ভাবী রুমে প্রবেশ করে মোহরানার বাকী টাকাটা কিভাবে পরিশোধ করবে জাফরের কাছে জানতে চায়। জাফর পরবর্তীতে পরিশোধ করবে বলে ভাবীর সামনে তানিয়াকে জানায়। তানিয়া এই প্রস্তাবে রাজী হয়ে জাফরকে নিয়ে স্বপ্নের বাসর রাত পার করে।
বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে বিবাহিত/অবিবাহিত নারী/পুরুষরা নানা গুঞ্জন করে থাকে। একেক একজন একেক দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখে। সবাই এই বিষয়টিকে নিয়ে হাসি-তামাশা করে। বিড়াল মারতে পারলে সবাই খুশী। তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে আজকাল স্বামীরা বাসর রাতে বিড়াল মারা তো দুরের কথা উল্টো বউয়ের কাছে মাফ চাইতে হয়। কেন মাফ চাইতে হয় জানেন? তাহলে শুনুন।
আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বিয়েতে খুব অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হত। বেশীর ভাগ স্বামী মোহরানা আদায় করে দিত। কেউবা বউয়ের নামে জমি লিখে দিত। কিন্তু আজকাল মোহরানা নিয়ে বর-কনে দু’পক্ষের মধ্যে দর কষাকষি শুরু হয়।
ডিজিটাল এই যুগে তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই তালাক ঠেকাতে এখন মোহরানার পরিমান বেশী ধার্য করা হয়। মোহরানার টাকা স্বামী স্ত্রীকে দিতে পারবে কি পারবে না তা আর কেউ দেখে না। এখন বেশী টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে ঠিকিয়ে রাখার জন্য সবাই চেষ্টা করে। স্বামীকে চাপের মধ্যে রাখে। এই সুযোগে স্ত্রীদের পক্ষ থেকে তালাকের প্রস্তাব বেশী আসছে। তাই তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে।
ইসলামে মোহরানা আদায় করে স্ত্রীর কাছে যেতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিয়েতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া স্বর্নের মূল্য হিসাব করে কিছু টাকা উসুল দেখিয়ে মোহরানার বাকী টাকাটা বাকীর খাতায় রেখে দেয়া হয়। তাই মোহরানার টাকা শত ভাগ পরিশোধ না করে বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার ওয়াদা করে থাকে। স্ত্রীও স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে সংসার জীবন শুরু করে। তাই বাসর রাতে বিড়াল মারার পরিবর্তে উল্টো স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা নিয়ে ছোট হতে হয়।
দাম্পত্য জীবনে কোন এক সময় ভুল-বুঝাবুঝি হলে তালাকের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে হয়। মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে স্বামী জেলের ভাত খেতে হয়।
তাই বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে যারা অতি উৎসাহী তাদেরকে বলতে চাই, বাসর রাতে বিড়াল মারার আগে স্ত্রীর মোহরানা আদায় করুন। মোহরানা আদায় না করে যদি আপনার মৃত্যু হয় তাহলে আপনাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে –
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয় কি পড়ে দেখুনঃ
বাসরঘর ও কনে সাজানো এবং তাদের জন্য দোয়া করাঃ
নতুন বর ও কনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেখানে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সুসজ্জিত করে বরের নিকট পেশ করা হবে। যেসব মহিলারা কনেকে সাজাবে তারা তাদের (বর-কনে) জন্য কল্যাণ, বরকত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার জন্য দোয়া করবে।
বর-কনের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা এবং কনেকে সাজানো সুন্নত। আসমা বিনতে ইযাযিদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (সাঃ) এর জন্য আয়েশাকে সুসজ্জিত করেছিলাম।
(আহমদ, আদাবুয যিফাফ ১৯ পৃষ্টা)
বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সদয়, স্নেহময়, কোমল, ভদ্র ও নম্র হওয়া উত্তম এবং মিষ্টান্নর ব্যবস্থা থাকা উচিতঃ
বাসর রাতে স্ত্রীর নিকট যাওয়ার সময় স্বামীকে কোমন হওয়া উচিত। সেখানে কিছু শরবত ও কিছু সুস্বাদু খাদ্য রাখা সুন্নত, যা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই খাবে। যারা ব্যবস্থাপনায় থাকবে তারাও এ খাদ্য অংশগ্রহন করতে পারে।

Tuesday, February 23, 2016

হানিফ এন্টারপ্রাইজ; এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি ১২শ' বাসের মালিক যেভাবে!?

এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি একে একে ১২শ’ বাসের মালিক। দেশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করে চলেছে তার বাসগুলো। এলাকায় তিনি ‘ফাদার অব ট্রান্সপোর্টেশন’ হিসেবেই পরিচিত।
সংগ্রামী ও সফল এই মানুষটির নাম জয়নাল আবেদীন। হানিফ এন্টারপ্রাইজের স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি। জীবনের শুরুটা বেশ বন্ধুর ছিল তার। তবে তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন নিরলস শ্রম আর কঠোর অধ্যাবসায়ে।
তার হাত ধরেই বিকশিত হয়েছে দেশের পরিবহন খাত। গণপরিবহনে তার ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে সবাই। এলাকার মানুষ তাকে ডাকেন জয়না মহাজন নামে।
Hanif_bg_836873526
জয়নাল আবেদীনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার সাভারে। মাত্র একটি ট্রাক নিয়ে পথ চলা শুরু। পরবর্তীতে শুরু কোচ ব্যবসা। গড়ে তোলেন পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‌‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’। ছোট ছেলে হানিফের নামেই গড়ে তুলেছিলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ। তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

পেট্রোল পাম্প, সিএনজি স্টেশন, ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং, কোল্ডস্টোরেজ, পানীয় ও প্রকাশনা ব্যবসাও গড়ে তুলেছেন এ স্বপ্নবাজ মানুষ। পরবর্তীতে যেখানেই হাত দিয়েছেন সোনা ফলিয়েছেন সেখানেই।
Hanif-Enterprise-Bus-Service-Bangladesh
বড় ছেলে আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন রাজনীতিবিদ। সাভার উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলে নানা প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

তবে রাজনীতি সম্পর্কে তীব্র অনীহা জয়নাল আবেদীনের। বাবা হাজী মো. আজিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা দুই যুগ আমিনবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিন্তু রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলেও প্রথম থেকেই রাজনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলেছেন জয়নাল আবেদীন। মিডিয়া তাকে আকর্ষণ করে না।
সবাই দুই ছেলেকে চিনলেও হানিফ এন্টারপ্রাইজের আসল কারিগর জয়নাল আবেদীন সবসময়ই গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলেছেন। তাই তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই সাধারণ মানুষের।
সম্প্রতি জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিনীতভাবে জানিয়ে দেন, কোন সাক্ষা‍ৎকার ও ছবি নেওয়া যাবে না। কিন্তু পাঠকদের আগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই কিছুটা নমনীয় হন তিনি। বলতে থাকেন তার সাফল্যের সেই দিনগুলোর অজানা গল্প।
জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার জন্ম সাভারের আমিনবাজারের হিজলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারে। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে আমি ছিলাম পঞ্চম। বাবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার সময় আমদানি রফতানির ব্যবসা করতেন। বিশেষ করে তিনি ধান-চাল ও চামড়ার সফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
আমার বাবাই ছিলেন প্রথম ব্যবসায়ী যিনি সে সময় প্রথম করাচী, বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) ও বার্মার (বর্তমানে মায়ানমার) সঙ্গে জলপথে আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা শুরু করেন। সে সুবাদে সমাজের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ আসতেন আমাদের বাড়িতে। সে সময় আমার বড় ভাই সালাউদ্দিন ডাক্তারি পড়ছিলেন।

আমি তখন ভর্তি হই আমিনবাজার মিরপুর মফিদ-ই-আম জুনিয়র মাদ্রাসায়। সেখান থেকে বাবা আমাকে ভর্তি করেন মিরপুর সিদ্ধান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে সময় আমি অত্যন্ত দূরন্ত ছিলাম। লেখাপড়ায় মন ছিল না। সারাদিন এখানে ওখানে ঘুরতাম।
এরই মধ্যে বাবা বড় ভাইয়কে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। মিরপুরের হাজী নুরুল ইসলামের মেয়ে মমতাজ বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করলেন। কিন্তু বড় ভাই তখন বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তাই আমাকেই বসানো হলো সেই বিয়ের পিঁড়িতে। তখন আমার বয়স মাত্র ১৪ বছর। আর মমতাজ বেগমের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।
পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ায় ব্যবসা শুরু করলাম। বাবার টাকায় শুরু করলাম ধান-চালের ব্যবসা। সে সময় এতো পরিবহন তো ছিলই না, এমনকি দূরপাল্লার রাস্তাও ছিল কম। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল ট্রেন, না হয় নৌপথ।

ধান-চালের ব্যবসায় কমলাপুর থেকে ট্রেনে সান্তাহার-সেখান থেকে বাসে চেপে নওগাঁ-তারপর টমটম ধরে মহাদেবপুর-সেখান থেকে পায়ে হেটেঁ চলে যেতাম মহিষবাথান নামের জায়গায়। সেখানের মানুষ আমার কাছে তিন হাজার টাকা দেখে অবাক! তারা ভাবছিল এত কম বয়সী ছেলের হাতে এত টাকা! এমনকি আমাকে চাল ব্যবসায়ী মনে করাটাও বোকামি মনে করছিল অনেকে।
হঠাৎ পূর্ব পাকিস্তানে চালে আকাল। চালের সরবরাহ কম, মূল্য বেশী। তাই চাল কিনতে প্লেনে চেপে যশোর গেলাম। ভাড়া ছিলো মাত্র ২৭ টাকা। সাথে ছিল আমার গোমস্তা। সে সময়ই আমি একাই আড়াইশ মণ চাল কিনলাম। এবার ফেরার পালা।

নানা ঘাট হয়ে আমাদের চাল বোঝাই নৌকা যখন মুন্সীগঞ্জের কাছে পদ্মায় ভাসছিল তখন প্রচণ্ড ঝড়ে নৌকা ডুবে গেল। সে যাত্রায় মাঝিদের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পাই। যতদূর মনে পড়ে, ওই দুর্ঘটনায় হাতের মুঠোয় আকঁড়ে রাখা ৫০ টাকা ছিল বাড়ি ফেরার শেষ সম্বল। বাড়ি ফিরে ধান-চালের ব্যবসা বাদ দিলাম।
এরপর পরিবারের ৫ ভাই একসঙ্গে হজ্ব করতে সৌদি আরবে গেলাম। এ ঘটনা এলাকায় তো বটেই, ভরতবর্ষেও তোলপাড় তুলে দিলো। তৎকালীন লর্ড এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে আমাদের পরিবারকে ঐতিহ্যবাহী পরিবার অ‍াখ্যা দেন। এলাকায় আমাদের বাড়ির নাম হলো হাজী বাড়ি। আমরা কলকাতা বন্দর থেকে জলপথে জাহাজে চেপে সৌদি বন্দরে পৌঁছালাম। সেখান থেকে উটের পিঠে চড়ে গেলাম মক্কা-মদিনায়।

স্বাধীন হওয়ার পর দেশ পুনর্গঠনে ডাক পড়লো। মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবন এলাকায় তখন বোরো ক্ষেত। ওই ক্ষেতে সাব কন্ট্রাক্টে শুরু করলাম মাটি ফেলার কাজ। মাত্র ১৪ হাজার টাকায় তিন টনি একটি পেট্রোল ট্রাক কিনলাম।
সেখান থেকেই শুরু। সঙ্গে কয়েকটি ট্রাক ভাড়াও নিলাম। পরে ট্রাকটি বিক্রি করে বেডফোর্ডের পাঁচ টনি ডিজেল ট্রাক কিনলাম।
একই সময় কাজ পেলাম ফেনীর মাতা ম‍ুহুরী নদীর বাঁধ নির্মাণে। সেখানেও সাব কন্ট্রাক্ট। মাটি ফেলার জন্যে ঠিকাদার আমাকে অগ্রীম ১০ লাখ টাকা দিলেন। তা দিয়ে কিনলাম দুটি হিনো কোচ। ছোট ছেলে হানিফের নামে যাত্রা শুরু করলো ‘হানিফ এন্টাপ্রাইজ’। প্রথমে ঢাকা-বগুড়া রুটে।
পরবর্তীতে একটির সাফল্য ধরে আরো একটি একটি করে রুট বাড়তে থাকলো। এভাবেই গত চার দশকে বহরে যুক্ত হয়েছে ১২শ’ বাস।
রাজনীতিতে না আসার কারণ জানতে চাইলে জয়নাল আবেদীন বলেন, হয়তো আরও বহুদূর যেতাম! তারপর নিজের আবেগ থামিয়ে সতর্ক হয়ে কথায় ফিরিয়ে আনেন নিজেকে।
বর্তমানে হানিফ এন্টারপ্রাইজে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। সততা, বিশ্বস্ততা আর নির্ভরতার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন জয়নাল আবেদীন। আজ অনেকেই তার দুই ছেলেকে চেনেন। আর এখানেই তার আনন্দ।

Monday, February 22, 2016

জীবনে সফল হতে চান? ২০ বছর বয়সের পর থেকেই করুন ৬টি কাজ

জীবনে সফল হতে চান? ২০ বছর বয়সের পর থেকেই করুন ৬টি কাজ
জীবনে সফলতা আসুক তা সকলেই চান। কিন্তু সফলতা কষ্ট ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। কিছুটা তো কষ্ট করতেই হবে। সেই সাথে বুদ্ধি করে চলতে হবে। সফল মানুষের জীবনী পড়লে অনেক কিছুই বুঝতে পারা যায়। তারা কিন্তু অনেক আগে থেকেই নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। অনেকেই অনেক কম বয়স থেকে শুরু করেন নিজেদের পথচলা। তাই একটি ভালো ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে কাজ শুরু করতে হবে আগে থেকেই। তা না হলে হয়তো দেরি হয়ে যাবে। তাই জীবনটা এলোমেলো হয়ে যাওয়ার আগেই গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে।

১)পড়ালেখা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না অনেকে মনে করেন অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে এরপর কাজে যোগ দেবেন। কিন্তু ইদানীং এই পদ্ধতিটি একেবারেই কার্যকর কিছু নয়। কারণ এখন সব কোম্পানিতেই অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষ চেয়ে থাকেন। আপনি যদি পড়ালেখা একেবারে শেষ করে চাকরিতে যোগ দিতে চান আপনাকে এন্ট্রি লেভেল থেকেই শুরু করতে হবে। তাই যদি পড়ালেখার পাশাপাশি কোনো পার্ট টাইম চাকরি অথবা ঘরে বসে কিছু করতে পারেন তবে পড়ালেখা শেষে আপনার রিজুমিতে অভিজ্ঞতার লেবেল লাগাতে পারবেন। 

 ২)পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করুন যদি চাকরি করতে না চান পড়ালেখার পাশাপাশি তবে এমন কিছু করুন যা আপনার কোনো একটি সাইডের দক্ষতা বাড়ায়। যেমন ধরুন আপনি নিজের ব্যবসা খুলতে ইচ্ছুক হলে সেই সংক্রান্ত বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করুন। এবং কিছু হলেও পুঁজির ব্যাপারে ভাবতে থাকুন। 

 ৩)আপনার যেদিকে দক্ষতা অর্জনের ইচ্ছা সেব্যাপারে কিছু কোর্স করে নিন আপনার যেদিকে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা সে সম্পর্কিত কোর্স করুন পড়ালেখার পাশাপাশি। অল্প বয়সেই এই কাজটি সম্ভব। কারণ পরবর্তীতে হয়তো আপনার সময় হয়ে উঠবে না অথবা পরে সেই মানসিকতাও থাকবে না নানা চাপে। তাই এই কাজটির প্রতি গুরুত্ব দিন বয়স বিশের পর থেকেই। 

৪)আলসেমি না করে সময় কাজে লাগান ছাত্র জীবনে প্রায় সকলেই আলসেমি করে থাকেন। এটি নতুন কিছু নয়। কিন্তু এই আলসেমিটাকে কিছুটা কমিয়ে নিয়ে কাজের দিকে মনোযোগী হয়ে উঠলে উন্নতি নিজেরই হবে। আলস্য করে যে সময়টুকু পার করেন সেসময়ে আপনি ক্যারিয়ার গঠন ভিত্তিক কোনো কাজ কিংবা জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। 

৫)বন্ধুরা মিলে একসাথে গঠনমূলক কাজ করুন অনেকেই আছেন পড়ালেখার পাশাপাশি বন্ধুরা মিলে ছোট কিছু কাজ করতে থাকেন। একা না পারলে এই ধরণের জিনিসটিও করতে পারেন। বন্ধুরা মিলে অল্প অল্প করে পুঁজি দিয়ে তা কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। কিংবা নিজেরা যে কাজে দক্ষ সে বিষয়টি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির ছোট ছোট কাজ করে দেয়ার প্রোজেক্ট হাতে নিতে পারেন। বর্তমানে এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা এই সুবিধা দিয়ে থাকে। দরকার শুধু ইচ্ছা এবং বুদ্ধি খাটানো। 

৬)একেবারে রোবট হয়ে যাবেন না জীবনকেও উপভোগ করুন অনেকে মনে করতে পারেন এতোসব বলে ছাত্রজীবনের মজাই নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। আসলে কিন্তু তা নয়। আপনাকে অনেক কাজ করে কঠিন একটি রুটিন তৈরি করে প্রতিদিন চলতে বলা হচ্ছে না। আপনি আপনার মতো জীবন উপভোগ করুন ঠিকই কিন্তু সেইসাথে বাড়তি কিছু সময় বের করে নিয়ে এইসকল ব্যাপার ভাবুন। কারণ জীবন আপনার।

যৌন অক্ষমতা এবং সন্তানহীনতার সমস্যা কাটাতে সাহায্য করে খেজুর

Screenshot_211খেজুরকে বলা হয় রাজকীয় ফল। শুধু অতুলনীয় স্বাদ আর গন্ধের জন্য নয়, খেঁজুরের খ্যাতি তার অসাধারণ রোগ নিরাময়ের জন্যও। প্রতি একশো গ্রাম খেজুরে মেলে ২৮২ কিলো ক্যালরি শক্তি, ৭৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৫ গ্রাম প্রোটিন এবং ০.৪ গ্রাম ফ্যাট। গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও মেলে কিছু অত্যাবশ্যক ভিটামিন। এ ছাড়াও মেলে কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড। এত ঝলকে দেখে নেওয়া যাক মিষ্টি ফল খেজুরের উপকারিতা—
যে কোনও বয়সে রক্তাল্পতা দূর করতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার।
বহু যুগ ধরেই কার্যকরী ল্যাক্সাটিভ হিসেবে খেজুর ব্যবহার করা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছাড়াও বদহজম, অ্যাসিডিটি এমন কী পাকস্থলির আলসারেও উপশম আনে খেজুর।
রক্তে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। এ ছাড়া সোডিয়ামের মাত্রা (একশো গ্রামে মাত্র ২ মিলিগ্রাম) কম থাকায় এবং পটাসিয়ামের মাত্রা (প্রতি একশো গ্রামে ৬৫৬ মিলিগ্রাম) বেশি থাকায় হৃদযন্ত্রের পেশির সক্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে খেজুর।

উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে খেজুর। স্নায়বিক দৌর্বল্যের সমস্যা কাটাতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার।
বিভিন্ন রকমের ক্যানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে খেজুর।
পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, তামা, ভিটামিন-কে, এসেনসিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড থাকায় নিয়মিত খেজুর খেলে বোন মেটাবলিজম ঠিক থাকে। অস্টিওপোরোসিসের আশঙ্কা কম থাকে।
জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। বিভিন্ন ফুসফুসের সংক্রমণও মোকাবিলা করতে সাহায্য করে খেজুর।
যৌন অক্ষমতা এবং সন্তানহীনতার সমস্যা কাটাতে সাহায্য করে খেজুর।

যাঁরা সারাদিন শুধু খাই খাই রোগে ভোগেন, এক সঙ্গে বেশি খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায় নিয়মিত খেজুর খেলে।
বাড়ন্ত বাচ্চা, গর্ভবতী মহিলা, কিশোর-কিশোরীদের খাবারে শক্তির জোগান দিতে খেজুরের বিকল্প নেই।
অনিদ্রার সমস্যা দূর করে খেজুর। মাইগ্রেন এবং মেনস্ট্রুয়াল ব্যথা কমিয়ে দেয়।
প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকায় দাঁতের রোগে উপকার করে খেজুর। নাইট ব্লাইন্ডনেস বা রাত্রিকালীন অন্ধত্বের সমস্যা মেটায়।
তাই রোগে জর্জরিত হয়ে সারাদিন বিভিন্ন রকমের ওষুধ খেয়ে মন ভারাক্রান্ত? মুখে স্বাদ নেই? চিন্তা না করে বরং হাত বাড়ান এক মুঠো খেজুরের দিকে। তাতেই হবে কেল্লাফতে।

Friday, February 19, 2016

মোবাইল অপারেটরগুলোর গ্রাহক কমেছে!

Image result for banglalink logoImage result for grameen logoImage result for robi logoImage result for citycell logoImage result for teletalk logo                                                                                                               চলতি বছরের  জানুয়ারি মাস শেষে দেশে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের মধ্যে পাঁচটির গ্রাহকসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস শেষে এ অপারেটরগুলোর যে গ্রাহকসংখ্যা ছিল, এক মাস পরেই তা কমেছে ১৮ লাখ ৩৪ হাজার।
তবে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক বেড়েছে। আগের বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এর গ্রাহক বেড়েছে ৬৮ হাজার।
টেলিটকের বৃদ্ধি পাওয়া গ্রাহকদের বাদ দিলে দেশে এক মাসের ব্যবধানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমেছে ১৮ লাখ ২৭ হাজার ২০০।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ, বাংলালিংকের তিন কোটি ২৩ লাখ ৬৮ হাজার, রবির দুই কোটি ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার, এয়ারটেলের এক কোটি পাঁচ লাখ, সিটিসেলের আট লাখ ৬৭ হাজার ও টেলিটকের ৪২ লাখ ১১ হাজার।

২০১৫ সালের ডিসেম্বর শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহকসংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার। এ কোম্পানির গ্রাহক কমেছে চার লাখ ৭৫ হাজার। বাংলালিংকের গ্রাহক ছিল তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৫ হাজার। কমেছে চার লাখ ৯৭ হাজার। সবচেয়ে বেশি গ্রাহক কমেছে রবির। এ কোম্পানির গ্রাহক ছিল দুই কোটি ৮৩ লাখ ১৭ হাজার। কমেছে পাঁচ লাখ ২২ হাজার। এয়ারটেলের গ্রাহক ছিল এক কোটি সাত লাখ ১০ হাজার। কমেছে দুই লাখ। সিটিসেলের গ্রাহক ছিল ১০ লাখ সাত হাজার এবং টেলিটকের ৪১ লাখ ৪৩ হাজার।
গত বছরের জানুয়ারির তথ্যের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ওই সময় সব অপারেটরেরই নতুন গ্রাহক বেড়েছিল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিম নিবন্ধনে আঙুলের বাধ্যতামূলক করায় সিম বিক্রি কমেছে। ফলে গ্রাহকও কমেছে।

সৌদি আরবে পানি ফুরিয়ে যাচ্ছে!

সৌদি আরবে ভূগর্ভস্থ পানি আগামী ১৩ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। তাই পানি ব্যবহারের জন্য জনগণের ওপর এরই মধ্যে কর আরোপ করা শুরু হয়েছে।
বাদশাহ ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বার মোহাম্মদ আল গামদি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিশ্বে প্রাকৃতিক পানির সংকট তৈরি হচ্ছে –এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে পানি ফুরিয়ে আসছে।
সৌদি পত্রিকা আল-ওয়াতানের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যম দি ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটিতে জনপ্রতি পানির ব্যবহার অত্যন্ত বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পানি ব্যবহারকারীদের মধ্যে অন্যতম এই দেশটি। এ কারণে ভূগর্ভের পানি শেষ হয়ে যাচ্ছে।

সৌদি আরবে প্রতিদিন জনপ্রতি গড়ে পানি ব্যবহার করা হয় ২৬৫ লিটার। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়ে যা প্রায় দ্বিগুণ।
আল-গামদি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক যে হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে কৃষি এলাকায় পানির স্তর মারাত্মকভাবে নেমে গেছে। এটা দিয়েই পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝা যায়।’
সৌদি আরব পানির জন্য দুটি উৎসের ওপর নির্ভর করে –একটি ভূগর্ভস্থ পানি, অন্যটি পরিশোধনের মাধ্যমে সাগরের পানি। কিন্তু সাগরে পানি পরিশোধনে প্রচুর জ্বালানি খরচ হয়। ভূগর্ভস্থ পানির মাধ্যমেই সৌদি আরবের ৯৮ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয়।
সৌদি আরবের আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব জানিয়েছে, দেশের মধ্যাঞ্চলের জলাধারগুলো শুকিয়ে বালির গর্তে পরিণত হয়েছে।

Monday, February 15, 2016

থাইল্যান্ডে কৃত্রিম দোজখ! (ভিডিও)



থাইল্যান্ডে কৃত্রিম দোজখ! (ভিডিও)
থাইল্যান্ডের একটি বৌদ্ধমন্দিরে প্রতীকী জাহান্নাম তৈরি করা হয়েছে। পরকালে কোন পাপের জন্য কী শাস্তি হবে, ভাস্কর্যের মাধ্য তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মন্দিরে প্রার্থণা ও ভ্রমণ করতে আসা মানুষকে পাপের শাস্তি সম্পর্কে জানাতে ভাস্কর্যের মাধ্যমে জাহান্নামের চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরটি জাহান্নাম মন্দির নামে স্থানীয়দের কাছে পরিচিতি পেয়েছে।

বৌদ্ধ ভিক্ষু প্রা ক্রু ভিশানজালিকন থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই এলাকায় ওয়াট মাই কায়েট নই নামের মন্দিরটি নির্মাণ করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে পাপের ভয় সৃষ্টি করতেই এই প্রতীকী জাহান্নাম তৈরি করা হয়েছে। আমি চাই, মানুষ জাহান্নামকে ভয় পাক ও পাপের জন্য লজ্জিত হোক।’

পরকালে কোন পাপের জন্য কী শাস্তি হবে তা ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। চুরির অপরাধে হাত কেটে ফেলা হবে। ধর্ষণের অপরাধে যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে। প্রতিটি ভাস্কর্য লাল রঙের ছিটা দিয়ে রাঙানো হয়েছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে শব্দ সংযোজন করা হয়েছে। মন্দিরের ভেতরে জাহান্নামের ছবি ও ভয়ানক শব্দ মিলে এক পরাবাস্তব অনুভব জাগিয়ে তোলে।
মন্দিরটিতে ২০১৩ সালে ভ্রমণ করেন চরিস বাক্কে। তিনি বলেন, ‘রিচ ফোর্ডের তৈরি করা একটি ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে পরকালে পাপের জন্য মানুষের মাথা কাটা হবে। ভিডিওটি দেখতে একটি মেশিনে কয়েন ফেলতে হবে। একটি ভাস্কর্যে গর্ভপাতের শিকার শিশুদের দেখানো হয়েছে। যা খুবই হৃদয় বিদারক।’

ভিক্ষু প্রা ক্রু ভিশানজালিকন বলেন, ‘গর্ভপাতের শিকার ভ্রুণদের সমাধিস্থত করলে নারীরা পাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে।’

ওয়াট মাই কায়েট নই মন্দিরটি এখন জন্মদিন, বিয়ে ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মন্দিরটিতে প্রবেশের জন্য কোনো টিকিট কাটতে হয় না।

থাইল্যান্ডে ওয়াট মাই কায়েট নই মন্দির ছাড়াও কয়েকটি জাহান্নাম মন্দির আছে। ওয়েট বান ওয়েং মন্দিরটিতে গৌতম বুদ্ধের মূর্তির সামনে স্থাপিত জান্নাত ও জাহান্নাম দেখার সুযোগ মিলবে। ওয়াট ফাই রোং ওয়াও মন্দিরটিতেও বুদ্ধের মূর্তির সামনে জাহান্নামে মানুষের শাস্তি ভোগের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও জাপানে এমন অনেক মন্দির রয়েছে।

                                চীনের একটি প্রতীকী জাহান্নামের ছবি।


                       ধর্ষণ পাপের জন্য যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা দেখানো হয়েছে।


গর্ভপাতের শিকার শিশুদের ভাস্কর্য। নারীদের গর্ভপাত সম্পর্কে সচেতন করতে ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছে।



                        শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা। রক্তাক্ত জিহ্বা বের হয়ে আছে। 


                          পাপিষ্ঠদের কড়াইয়ের মধ্যে রেখে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। 


ভিক্ষু প্রা ক্রু ভিশানজালিকনের ধারণা থেকে প্রতীকী জাহান্নাম তৈরি করা হয়েছে। হত্যার অপরাধে গলা কেটে ফেলার চিত্র দেখানো হচ্ছে।

থাইল্যান্ডের ওয়াট মাই কায়েট নই মন্দির নিয়ে একটি ভিডিওচিত্র ধারণ করা হয়ছে। সেটি পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো-

যে অমর প্রেমকাহিনি থেকে এলো ‘বাকরখানি’র নাম

যে অমর প্রেমকাহিনি থেকে এলো ‘বাকরখানি’র নামকাজী আশরাফ : নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁর দত্তক ছেলে আগা বাকের। প্রখর মেধার অধিকারী আগা বাকের যুদ্ধবিদ্যাতেও ছিলেন পারদর্শী। অন্য দিকে খনি বেগম ছিলেন অপরূপা সুন্দরী। রাজধানী মুর্শিদাবাদে থাকতেন তিনি। খনি বেগম ভালোবেসেছিলেন শাহজাদা আগা বাকেরকে। আগা বাকেরও তার প্রেমে সাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য অনেক প্রেমকাহিনির মতো এখানেও ছিল ভিলেন। তিনি হলেন উজিরপুত্র নগর কোতোয়াল জয়নাল খান। একেবারে সিনেমায় দেখা ঘটনার মতোই একদিন চরিত্রহীন জয়নাল খনি বেগমের ঘরে গিয়ে প্রেম নিবেদন করে। প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর খনি বেগমের সতীত্ব হরণের চেষ্টাও করে সে। খবর পেয়ে বাকের ছুটে যান সেখানে। তখন জয়নাল এবং বাকেরের মধ্যে তুমুল তলোয়ারবাজি হয়। এক পর্যায়ে জয়নাল খান পরাজিত হয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। জয়নাল খানের দুই বন্ধু উজিরকে গিয়ে জানায়, আগা-বাকের দুজনে মিলে জয়নালকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। উজির নবাবের কাছে পুত্র হত্যার বিচার চান। মুর্শিদ কুলী খাঁ পুত্র বাকেরকে বাঘের খাঁচায় নিক্ষেপের নির্দেশ দেন। শুরু হয়ে যায় বাঘ আর বাকেরের যুদ্ধ। অবশেষে বাকেরের হাতে মারা যায় বাঘ। ইতিমধ্যে জয়নালের মৃত্যুর মিথ্যা খবর ফাঁস হয়ে যায়। বাকের মুক্ত হয়। কিন্তু বিধিবাম! তাদের দুজনের মিলন হয় না। কারণ বাকের যখন বাঘের খাঁচায় ছিল তখন জয়নাল সুযোগ পেয়ে খনি বেগমকে অপহরণ করে দক্ষিণ বঙ্গে নিয়ে যায়।

বাকের দক্ষিণ বঙ্গে ছুটে যায়। ইতিহাস বলে, বাকের যখন জয়নালের মুখোমুখি হয় তখন জয়নালের হাতে ছিল এক বিষাক্ত সাপ। ঘটনাক্রমে সেখানে হাজির হয় উজির জাহান্দার খান। এই জাহান্দার খানের তলোয়ারের আঘাতে খনি বেগম মারা যায়। বাকের ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে খনি বেগমকে। মৃত্যু পথযাত্রী খনি বেগম কোনোমতে উচ্চারণ করে- দুঃখ এ দুনিয়ায় আমাদের মিলন হলো না। পরকালে আমি আপনার জন্য অপেক্ষা করব। এটাই ছিল খনি বেগমের শেষ কথা। বাকেরগঞ্জের নির্জন নদীতীরে অরণ্য ছায়ায় সমাধি হয় খনি বেগমের। বাকের সব কিছু ত্যাগ করে রয়ে যায় সেই সমাধির কাছে।

এই বাকের খাঁর নামানুসারেই এক সময় বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ (পটুয়াখালী-বরিশাল) অঞ্চলের নাম হয় ‘বাকেরগঞ্জ’। শুধু তাই নয়, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি রুটির নামের পেছনেও রয়েছে এই বাকের-খনির অমর প্রেমকাহিনি। ও ভালো কথা। দত্তক পুত্র আগা বাকেরের এই প্রেম নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁ মেনে নেননি, তার প্রধান কারণ হলো খনি বেগম ছিলেন নর্তকী।

র ভালো মানসিক



গবেষণায় আ
কথাও জানা গেছে
গবেষণায় আ
গবেষণায় আ
সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম' জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম' জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম' জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম' জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম' জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf

Thursday, February 11, 2016

পৃথিবীর বুকে পাঁচটি ভয়াবহ জায়গা

আমরা অভিজ্ঞতাপূর্ণ ভ্রমণের জন্য দেশ থেকে দেশান্তরে বিভিন্ন আশ্চর্য ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক জায়াগায় ঘুরেছি। পৃথিবীকে জানার জন্য পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল, এমনকি সাগরতল দেশের না জানা বহু জায়গায় ঘুরে পৃথিবীর বহু প্রাকৃতিক তথ্য জেনেছি। কিন্তু কখনো কোনো ভৌতিক জায়গায় ভ্রমণ করেছেন? যে ভৌতিক জায়গায় আপনার শরীর জ্বলসে যেতে পারে এমনকি আপনার বিন্দু পরিমাণ কোনো চিহ্নও থাকবে না। ভয় পাচ্ছেন? হ্যাঁ আমি ভয় পাওয়ার মতোই এমন পাঁচটি ভৌতিক জায়গার কথা বলছি।

১…পৃথিবীর বুকে জাহান্নামের দরজাঃ ১৯৭১ সালে জাহান্নামে দরজা নামে একটি ভংকর আগ্নেয়গিরির সন্ধান পান সোভিয়েতের বিজ্ঞানিরা। যার আয়তন ছিল ৭০ মিটার ব্যাপি ৩০ মিটার গভীর। যা দেখে মনে হচ্ছিল পৃথিবীর মাঝে জাহান্নামের একটি অংশ। বিজ্ঞানিদের একটি দল তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির মাঝখানে একটি তেলক্ষেত্রের সারগর্ভ সেট আপ ছিল।
Lavaতারা সেখানে যেয়ে দেখেন আগুনের ভয়ংকর ঢেউ এখান থেকে একবার ওখানে বাড়ি খাচ্ছে আরেকবার ওখান থেকে এখানে বাড়ি খেয়ে আছড়ে পড়ছে। বস্তুত, এ আগ্নেয়গেরির তলদেশে স্থল একটি বৃহদায়তন প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের বিস্তারের কারনে এ ধরনের আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারনা করেছিলেন বিজ্ঞানিরা।






snake-island 
২….দা স্নেক আইল্যান্ডঃ ব্রাজিলে অবস্থিত এই সাপের দ্বীপে প্রায় সারে তিন লাখ প্রজাতির সাপ এখানে বাস করে। ১৯২০ সালে ব্রাজিলের সাপের দ্বীপের সাপ গুলোকে ধ্বংস করার জন্য বহুল পরিমাণে টাকা ইনাম দিবে বলে ব্রাজিলের সরকার ঘোষনা করল। কেও রাজি ছিল না এই সাপের দ্বীপে যাওয়ার জন্য। পরে ওক ব্যাক্তি অনেক সাহস নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজি হল। লোক্টি তার পরিবার সহকারে দ্বীপটিতে যেয়ে থাকার জন্য ব্যাবস্থা করে নিল। কিন্তু রাতের বেলা হঠাৎ করে অনেক সাপ এক সাথে এদিক ওদিক থেকে তাদের আক্রমণ করলে লোকটি সব গুলি সাপের সাথে লড়ে উঠতে পারল না। স্বপরিবারে সাপের কামরে মারা যান।বেশ কয়েক দিন চলে যাওয়ার পরেও লোকটার কোনো খবর পাওয়া না গেলে পরবর্তীতে বিষেশ জরুরি ব্যাবস্থার লোক দ্বীপটিতে যেয়ে পচা গলা বেশ কিছু মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গ পায়। পরবর্তীতে দ্বীপটিতে মানুষের আসা যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়।



 ৩….দা টেম্পল অফ রেটসঃ একটি ধর্মীয় এবং পর্যটক গন্তব্য ভারতের কারনি মাতা মন্দির উভয় শ্রদ্ধা ও মনোভাবের সম্পূর্ণ পরিবর্তন একটি সাইট। এটা এজন্যে যে, বিখ্যাত হিন্দু মন্দির তীক্ষ্ণদন্ত হাজার হাজার প্রাণী এক সঙ্গে এখানে হামাগুড়ি দেয়।
স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে, যখন হিন্দু দেবতা কারনিমাতা এর সৎ ছেলে পুকুরে ডুবে যায়, তখন কারনি মাতা মৃত্যুর দেবতা জমকে তার পুত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে বলে। জম অবশেষে মমতা ও স্নেহের কাছে হার মানে কিন্তু শুধুমাত্র এই শর্তে যে, তার সৎ ছেলে পুনরায় জীবিত হবে কিন্তু ইঁদুরের রূপে। সেই থেকে এখানে হাজার হাজার ইঁদুর মন্দিরে বাস করে। ইঁদুরের উৎপাতে মানুষ এই মন্দির পরিত্যাগ করে।




images 
৪….দা স্ক্যারি ডলস আইল্যান্ডঃ  প্রচলিত ভাবে জানা যায়, ম্যাক্সিকোর বাইরে কোন এক অঞ্চলে এই বাগানে একটি মেয়ের পুকুরে ডুবে অক্বাল মৃত্যুর স্বীকার হয়। সেই থেকে রাতের বেলায় পুকুরে অনেক আযব আযব পুতুল পুকুরে ভেসে উঠে । একে একে অনেক পুতুল ভেসে বাগানটি দা স্ক্যারি ডলস আইল্যান্ড এ পরিনত হয়।



skeletons 1 - Copy
৫….গ্লাসিকাল লেক ফুল অফ হিউম্যান স্কেলেটনঃ লোক প্রচলিত ভাবে জানা যায়, ১৯৪২ সালে রুপকুন্দ পুকুরের চার পাশে মানব দেহের কংকালে পরিপুর্ণ পাহাড় পাওয়া যায় যে পুকুর হিমালয়ের পাশে অবস্থিত। গ্রীষ্ম আসে বরফ গলতে শুরু করে আর নতুন নতুন মানুষের রক্ত চুল সহ কংকাল পাওয়া যায়। ২০০৪ সালে যেয়ে বিজ্ঞানিরা আবিষ্কার করল যে নয় শতকের সময় বহু আদিবাসীরা পাহাড় কাটত তখন পাহাড় ধসে বহু বাসা ও আদিবাসীরা মাটিচাপা পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। বিজ্ঞানিদের আবিষ্কারে আরো জানা গেছে যে তারা বিভিন্ন ধারাল অস্ত্রপাতি দিয়ে আদিবাসীরা নিজেদের মধ্যে মারা মারি করে। তাদের মৃতদেহ পরীক্ষা করে তাদের দেহে বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেলেও তাদের মৃতদেহ বা কংকালের পাশে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এখনো প্রায় সময় নতুন নতুন মৃত কংকাল পাওয়া যায়।

Wednesday, February 10, 2016

প্রশ্নঃ ছেলেদের বীর্য কি খাওয়া যায়? যদি না খাওয়া যায় তাহলে নীল ছবিতে মেয়েরা খায় কেন?

প্রশ্নঃ 
ছেলেদের বীর্য কি খাওয়া যায়? যদি না খাওয়া যায় তাহলে নীল ছবিতে মেয়েরা তা মুখে নেয় কেন? এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই !

উত্তরঃ 
ছেলেদের বীর্য আসলে খাওয়া যায় না বা খাওয়া উচিত না। নীল ছবিতে অনেকটা এক্সপোজ করার জন্যই নীল নায়িকারা তা করে থাকেন কেননা নীল ছবি তৈরি অনেকটা প্রতিযোগিতানির্ভর।
যার ছবিতে যত বেশি আকর্ষণীয় ও চাঞ্চল্যকর বিষয় থাকবে তার ছবি তত বেশি হিট হবে। তাই নীল ছবিগুলোতে সচরাচর এই চিত্রগুলো দেখা যায়। এছাড়া কোনো মেয়ে যদি কোনো পুরুষের বীর্য পান করে তাহলে তার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
যার বীর্য পান করা হচ্ছে যদি ঐ পুরুষের কোন যৌন রোগ থাকে বা সে যদি অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করে থাকে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন যৌনরোগ এমন কি মুখে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। সার্বিক বিবেচনায় যৌনরোগ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে তা প্রতিরোধ করাই বিজ্ঞতার পরিচায়ক।
ধর্মীয় বিধি নিষেধে এরকম কাজ এবং ওরাল সেক্স করতে নিরুতসাহিতকরা হয়েছে। একে অস্বাভাবিক ও অনুচিত বলেছেন প্রায় সবাই।
যদিও ডাক্তারদের ভেতরে এ নিয়ে মতভেদ আছে। খুব কম সংখ্যক ডাক্তার বলেন যে এতে কোন ক্ষতি নেই যেহেতু বীর্যে মূলত প্রোটিন থাকে কন্তু এই পরিমান প্রোটিনে মানুষের শরীরের কোন উপকার হয় না।