কাজী আশরাফ :
নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁর দত্তক ছেলে আগা বাকের। প্রখর মেধার অধিকারী আগা
বাকের যুদ্ধবিদ্যাতেও ছিলেন পারদর্শী। অন্য দিকে খনি বেগম ছিলেন অপরূপা
সুন্দরী। রাজধানী মুর্শিদাবাদে থাকতেন তিনি। খনি বেগম ভালোবেসেছিলেন
শাহজাদা আগা বাকেরকে। আগা বাকেরও তার প্রেমে সাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য
অনেক প্রেমকাহিনির মতো এখানেও ছিল ভিলেন। তিনি হলেন উজিরপুত্র নগর কোতোয়াল
জয়নাল খান। একেবারে সিনেমায় দেখা ঘটনার মতোই একদিন চরিত্রহীন জয়নাল খনি
বেগমের ঘরে গিয়ে প্রেম নিবেদন করে। প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর খনি বেগমের
সতীত্ব হরণের চেষ্টাও করে সে। খবর পেয়ে বাকের ছুটে যান সেখানে। তখন জয়নাল
এবং বাকেরের মধ্যে তুমুল তলোয়ারবাজি হয়। এক পর্যায়ে জয়নাল খান পরাজিত হয়ে
পালিয়ে যায়।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়। জয়নাল খানের দুই বন্ধু উজিরকে গিয়ে জানায়,
আগা-বাকের দুজনে মিলে জয়নালকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। উজির নবাবের কাছে
পুত্র হত্যার বিচার চান। মুর্শিদ কুলী খাঁ পুত্র বাকেরকে বাঘের খাঁচায়
নিক্ষেপের নির্দেশ দেন। শুরু হয়ে যায় বাঘ আর বাকেরের যুদ্ধ। অবশেষে বাকেরের
হাতে মারা যায় বাঘ। ইতিমধ্যে জয়নালের মৃত্যুর মিথ্যা খবর ফাঁস হয়ে যায়।
বাকের মুক্ত হয়। কিন্তু বিধিবাম! তাদের দুজনের মিলন হয় না। কারণ বাকের যখন
বাঘের খাঁচায় ছিল তখন জয়নাল সুযোগ পেয়ে খনি বেগমকে অপহরণ করে দক্ষিণ বঙ্গে
নিয়ে যায়।
বাকের দক্ষিণ বঙ্গে ছুটে যায়। ইতিহাস বলে, বাকের যখন জয়নালের মুখোমুখি
হয় তখন জয়নালের হাতে ছিল এক বিষাক্ত সাপ। ঘটনাক্রমে সেখানে হাজির হয় উজির
জাহান্দার খান। এই জাহান্দার খানের তলোয়ারের আঘাতে খনি বেগম মারা যায়।
বাকের ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে খনি বেগমকে। মৃত্যু পথযাত্রী খনি বেগম কোনোমতে
উচ্চারণ করে- দুঃখ এ দুনিয়ায় আমাদের মিলন হলো না। পরকালে আমি আপনার জন্য
অপেক্ষা করব। এটাই ছিল খনি বেগমের শেষ কথা। বাকেরগঞ্জের নির্জন নদীতীরে
অরণ্য ছায়ায় সমাধি হয় খনি বেগমের। বাকের সব কিছু ত্যাগ করে রয়ে যায় সেই
সমাধির কাছে।
এই বাকের খাঁর নামানুসারেই এক সময় বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ (পটুয়াখালী-বরিশাল)
অঞ্চলের নাম হয় ‘বাকেরগঞ্জ’। শুধু তাই নয়, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি
রুটির নামের পেছনেও রয়েছে এই বাকের-খনির অমর প্রেমকাহিনি। ও ভালো কথা।
দত্তক পুত্র আগা বাকেরের এই প্রেম নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁ মেনে নেননি, তার
প্রধান কারণ হলো খনি বেগম ছিলেন নর্তকী।
র ভালো মানসিক
গবেষণায় আ
কথাও জানা গেছে
গবেষণায় আ
গবেষণায় আ
সম্প্রতি
একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা
বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক
প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স
প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের
জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস
রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস
থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান
শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম'
জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস
রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায়
৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না
শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময়
অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন
বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব
একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে।
উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি
ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি
একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা
বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক
প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স
প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের
জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস
রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস
থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান
শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম'
জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস
রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায়
৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না
শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময়
অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন
বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব
একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে।
উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি
ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি
একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা
বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক
প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স
প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের
জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস
রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস
থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান
শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম'
জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস
রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায়
৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না
শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময়
অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন
বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব
একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে।
উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি
ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি
একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা
বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক
প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স
প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের
জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস
রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস
থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান
শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম'
জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস
রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায়
৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না
শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময়
অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন
বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব
একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে।
উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি
ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf
সম্প্রতি
একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা
বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক
প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স
প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের
জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস
রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে।
এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস
থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান
শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের।
বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা 'মিউজিক মেকস ইট হোম'
জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস
রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায়
৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন। এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না
শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময়
অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন
বলেন, 'ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব
একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।'
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে।
উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি
ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/65094#sthash.q9OOZed0.dpuf