১…পৃথিবীর বুকে জাহান্নামের দরজাঃ ১৯৭১ সালে জাহান্নামে দরজা নামে একটি ভংকর আগ্নেয়গিরির সন্ধান পান সোভিয়েতের বিজ্ঞানিরা। যার আয়তন ছিল ৭০ মিটার ব্যাপি ৩০ মিটার গভীর। যা দেখে মনে হচ্ছিল পৃথিবীর মাঝে জাহান্নামের একটি অংশ। বিজ্ঞানিদের একটি দল তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির মাঝখানে একটি তেলক্ষেত্রের সারগর্ভ সেট আপ ছিল।
তারা সেখানে যেয়ে দেখেন আগুনের ভয়ংকর ঢেউ এখান থেকে একবার ওখানে বাড়ি খাচ্ছে
আরেকবার ওখান থেকে এখানে বাড়ি খেয়ে আছড়ে পড়ছে। বস্তুত, এ আগ্নেয়গেরির
তলদেশে স্থল একটি বৃহদায়তন প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। বিষাক্ত মিথেন
গ্যাসের বিস্তারের কারনে এ ধরনের আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারনা
করেছিলেন বিজ্ঞানিরা।
২….দা স্নেক আইল্যান্ডঃ
ব্রাজিলে অবস্থিত এই সাপের দ্বীপে প্রায় সারে তিন লাখ প্রজাতির সাপ এখানে
বাস করে। ১৯২০ সালে ব্রাজিলের সাপের দ্বীপের সাপ গুলোকে ধ্বংস করার জন্য
বহুল পরিমাণে টাকা ইনাম দিবে বলে ব্রাজিলের সরকার ঘোষনা করল। কেও রাজি ছিল
না এই সাপের দ্বীপে যাওয়ার জন্য। পরে ওক ব্যাক্তি অনেক সাহস নিয়ে যাওয়ার
জন্য রাজি হল। লোক্টি তার পরিবার সহকারে দ্বীপটিতে যেয়ে থাকার জন্য
ব্যাবস্থা করে নিল। কিন্তু রাতের বেলা হঠাৎ করে অনেক সাপ এক সাথে এদিক ওদিক
থেকে তাদের আক্রমণ করলে লোকটি সব গুলি সাপের সাথে লড়ে উঠতে পারল না।
স্বপরিবারে সাপের কামরে মারা যান।বেশ কয়েক দিন চলে যাওয়ার পরেও লোকটার কোনো
খবর পাওয়া না গেলে পরবর্তীতে বিষেশ জরুরি ব্যাবস্থার লোক দ্বীপটিতে যেয়ে
পচা গলা বেশ কিছু মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গ পায়। পরবর্তীতে দ্বীপটিতে
মানুষের আসা যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়।

৩….দা টেম্পল অফ রেটসঃ
একটি ধর্মীয় এবং পর্যটক গন্তব্য ভারতের কারনি মাতা মন্দির উভয় শ্রদ্ধা ও
মনোভাবের সম্পূর্ণ পরিবর্তন একটি সাইট। এটা এজন্যে যে, বিখ্যাত হিন্দু
মন্দির তীক্ষ্ণদন্ত হাজার হাজার প্রাণী এক সঙ্গে এখানে হামাগুড়ি দেয়।
স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে, যখন হিন্দু দেবতা কারনিমাতা এর সৎ ছেলে পুকুরে ডুবে যায়, তখন কারনি মাতা মৃত্যুর দেবতা জমকে তার পুত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে বলে। জম অবশেষে মমতা ও স্নেহের কাছে হার মানে কিন্তু শুধুমাত্র এই শর্তে যে, তার সৎ ছেলে পুনরায় জীবিত হবে কিন্তু ইঁদুরের রূপে। সেই থেকে এখানে হাজার হাজার ইঁদুর মন্দিরে বাস করে। ইঁদুরের উৎপাতে মানুষ এই মন্দির পরিত্যাগ করে।
স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে, যখন হিন্দু দেবতা কারনিমাতা এর সৎ ছেলে পুকুরে ডুবে যায়, তখন কারনি মাতা মৃত্যুর দেবতা জমকে তার পুত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে বলে। জম অবশেষে মমতা ও স্নেহের কাছে হার মানে কিন্তু শুধুমাত্র এই শর্তে যে, তার সৎ ছেলে পুনরায় জীবিত হবে কিন্তু ইঁদুরের রূপে। সেই থেকে এখানে হাজার হাজার ইঁদুর মন্দিরে বাস করে। ইঁদুরের উৎপাতে মানুষ এই মন্দির পরিত্যাগ করে।
৪….দা স্ক্যারি ডলস আইল্যান্ডঃ
প্রচলিত ভাবে জানা যায়, ম্যাক্সিকোর বাইরে কোন এক অঞ্চলে এই বাগানে একটি
মেয়ের পুকুরে ডুবে অক্বাল মৃত্যুর স্বীকার হয়। সেই থেকে রাতের বেলায় পুকুরে
অনেক আযব আযব পুতুল পুকুরে ভেসে উঠে । একে একে অনেক পুতুল ভেসে বাগানটি দা
স্ক্যারি ডলস আইল্যান্ড এ পরিনত হয়।

৫….গ্লাসিকাল লেক ফুল অফ হিউম্যান স্কেলেটনঃ
লোক প্রচলিত ভাবে জানা যায়, ১৯৪২ সালে রুপকুন্দ পুকুরের চার পাশে মানব
দেহের কংকালে পরিপুর্ণ পাহাড় পাওয়া যায় যে পুকুর হিমালয়ের পাশে অবস্থিত।
গ্রীষ্ম আসে বরফ গলতে শুরু করে আর নতুন নতুন মানুষের রক্ত চুল সহ কংকাল
পাওয়া যায়। ২০০৪ সালে যেয়ে বিজ্ঞানিরা আবিষ্কার করল যে নয় শতকের সময় বহু
আদিবাসীরা পাহাড় কাটত তখন পাহাড় ধসে বহু বাসা ও আদিবাসীরা মাটিচাপা পরে
তাঁদের মৃত্যু হয়। বিজ্ঞানিদের আবিষ্কারে আরো জানা গেছে যে তারা বিভিন্ন
ধারাল অস্ত্রপাতি দিয়ে আদিবাসীরা নিজেদের মধ্যে মারা মারি করে। তাদের
মৃতদেহ পরীক্ষা করে তাদের দেহে বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া
গেলেও তাদের মৃতদেহ বা কংকালের পাশে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এখনো
প্রায় সময় নতুন নতুন মৃত কংকাল পাওয়া যায়।
No comments:
Post a Comment